ইলম হলো আল্লাহর বিশেষ একটি গুণ। যার কিছু অংশ আল্লাহ মানুষের কল্যাণের জন্য দান করেছেন। ইলমের কারণেই মানুষ লাভ করে সর্বোচ্চ মর্যাদা। হাদীসে এসেছে, ‘ঐ ব্যক্তি সর্বোত্তম যে ইলম শেখে এবং শেখায়’। কুরআন হাদীসে বর্ণিত এই ইলমকেই বলা হয় ইলমে দীন; যেটাকে আমাদের পরিমণ্ডলে আমরা ‘দীনী শিক্ষা’র শিরোনামে পেশ করে থাকি।
একজন মানুষকে সুন্দর, পরিমার্জিত ও আদর্শ নাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে দীনী শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। দুনিয়া ও আখেরাতের সামগ্রিক সফলতা পেতে হলে আমাদের আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূলে আরাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃক নির্দেশিত কুরআন সুন্নাহ ভিত্তিক ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার দ্বারস্থ হতে হবে এবং
বিস্তারিত
বিস্তারিতছাত্ররা ব্যক্তিগত জীবনে কোন রাজনৈতিক দলে বা বিশেষ কোন বাতিল আকিদায় নয় বরং রাসুলুল্লাহ (স.), সাহাবায়ে কেরাম (রা) ও সলফে সালেহীনের অনুসৃত পথে মানুষের মধ্য থেকে হারিয়ে যাওয়া গুন আদর্শ চরিত্র ও বৈশিষ্ঠ মহিমায় নিজেদেরকে গড়ে তুলবে।
মানুষ জ্ঞানী হয়ে জন্মায় না, তাকে জ্ঞান অর্জন করতে হয়। জানার আগ্রহে কোন কিছু জিজ্ঞাসা করার লজ্জা ও ভয় হলো জ্ঞান অর্জনের প্রতিবন্ধকতা। তাই ভয় না পেয়ে নিজের ওস্তাদদের কাছ থেকে অজানা জিনিস সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করে যাওয়াই একজন তালিবে ইলমের প্রধান কাজ।
বিস্তারিত
“ইলমে দীন আত্মাকে আলোকিত করে, আধুনিক জ্ঞান জীবনকে শক্তিশালী করে; আর এই দু’টির সমন্বয়ই একজন শিক্ষার্থীকে দুনিয়া ও আখিরাতে সত্যিকারের সফলতার পথে পৌঁছে দেয়।”
বিস্তারিত




.jpeg)








































